বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, “শহীদ জিয়াউর রহমান শুধু একটি নাম নয়, তিনি একটি ইতিহাস। এ দেশের স্বাধীনতার জন্য তাঁর জন্ম, আর স্বাধীনতা রক্ষার জন্যই তিনি শহীদ হয়েছেন।”
আজ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দেয়া এক বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে রুখে দিতে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নির্মমভাবে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।”
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “আজকের এই দিনে আমাদের শপথ হোক—আমরা শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে একটি শক্তিশালী, গণতান্ত্রিক, সাম্য ও সুবিচারভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তুলব। এমন একটি সমাজ বিনির্মাণ করব, যেখানে আর কখনো গণতন্ত্র, ভোট বা অধিকারের জন্য জীবন দিতে বা লড়াই করতে হবে না।”
তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ জিয়ার চিন্তা ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে, যাতে করে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া যায় এবং জনগণের অধিকার সুরক্ষিত থাকে।
জাপানে নিক্কেই সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যের প্রসঙ্গে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন বলেন, “তিনি বলেছেন, কেবল একটি দল নির্বাচন চায়। আমরা মনে করি, হয়তো তাঁর কাছে সঠিক তথ্য ছিল না।”
তিনি আরো বলেন, “বিএনপি ও যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলো, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট এবং ১২ দলের পক্ষ থেকে আগেই ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের দাবি জানানো হয়েছিল।”
সালাহউদ্দিন আহমেদ স্পষ্ট করেন, “যদি তথ্যগত ভুলের কারণে তিনি এ মন্তব্য করে থাকেন, তাহলে আমি সেটির সমালোচনা করব না। তবে সারা জাতি একটি গ্রহণযোগ্য, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অপেক্ষায় আছে—এটি তাঁর বোঝা উচিত। খুব শিগগিরই নির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা করে ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।”
দেশের সংস্কার ও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া, এটি কখনোই শেষ হয় না। দেশের প্রয়োজন ও মানুষের চাহিদা অনুযায়ী সংস্কার অব্যাহত রাখতে হয়।”
তিনি আরও বলেন, “বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করছে এবং সেই বিচার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে—এটাই আমাদের অঙ্গীকার।”
তথ্যসূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ
নিউজ র্যাটর ২৪ ঘণ্টা বাংলার খবর